জরায়ুতে সিস্ট কেন হয় ?



নারীদের জন্য একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা হলো ওভারিয়ান সিস্ট। ডিম্বাশয় বা ওভারি জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত দুটি ছোট গ্রন্থি, যা থেকে হরমোন নিঃসরণ হয় এবং ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়ওভারিয়ান সিস্ট মূলত ওভারিতে পানিপূর্ণ থলের মতো গঠন। ঋতুমতী মেয়েদের মধ্যে এটি বেশ সাধারণ। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হলো ফাংশনাল বা সিম্পল সিস্ট। ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বস্ফুটন না হওয়া কিংবা ডিম্বস্ফুটনের পর ফলিকল চুপসে না গেলে এই সিস্ট তৈরি হতে পারে।  


ফাংশনাল সিস্ট ছাড়াও ওভারি বা ডিম্বাশয়ে আরও বিভিন্ন ধরনের সিস্ট হতে পারে। এসব সিস্টের প্রতিকার নির্ভর করে এর ধরন, আকার, এবং উপসর্গের ওপপলিসিস্টিক ওভারি : অনেক দিন ধরে ক্রমাগত ডিম্বস্ফুটন না হলে ওভারিতে ফলিকলগুলো জমতে থাকে। এর সংখ্যা ১০ বা এর অধিক হলে পলিসিস্টিক ওভারি বলা হয়।এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট : এই সিস্ট থাকলে মাসিকের সময় অনেক পেইন হয় এবং রোগী বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগে থাকে।লাইফস্টাইল 

নারী

জরায়ুতে সিস্ট কেন হয়

লিসি সর্বপ্রথম সংস্কার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: মাহদী আমিনPlay Video

ফরেন পলিসি সর্বপ্রথম সংস্কার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: মাহদী আমিন


ফরেন পলিসি সর্বপ্রথম সংস্কার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:৩৯, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫



জরায়ুতে সিস্ট কেন হয় ?

ছবি : সংগৃহীত


নারীদের জন্য একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা হলো ওভারিয়ান সিস্ট। ডিম্বাশয় বা ওভারি জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত দুটি ছোট গ্রন্থি, যা থেকে হরমোন নিঃসরণ হয় এবং ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়।  


ওভারিয়ান সিস্ট মূলত ওভারিতে পানিপূর্ণ থলের মতো গঠন। ঋতুমতী মেয়েদের মধ্যে এটি বেশ সাধারণ। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হলো ফাংশনাল বা সিম্পল সিস্ট। ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বস্ফুটন না হওয়া কিংবা ডিম্বস্ফুটনের পর ফলিকল চুপসে না গেলে এই সিস্ট তৈরি হতে পারে।  


ফাংশনাল সিস্ট ছাড়াও ওভারি বা ডিম্বাশয়ে আরও বিভিন্ন ধরনের সিস্ট হতে পারে। এসব সিস্টের প্রতিকার নির্ভর করে এর ধরন, আকার, এবং উপসর্গের ওপর। 



পলিসিস্টিক ওভারি : অনেক দিন ধরে ক্রমাগত ডিম্বস্ফুটন না হলে ওভারিতে ফলিকলগুলো জমতে থাকে। এর সংখ্যা ১০ বা এর অধিক হলে পলিসিস্টিক ওভারি বলা হয়।


এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট : এই সিস্ট থাকলে মাসিকের সময় অনেক পেইন হয় এবং রোগী বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগে থাকে।



ডারময়েড সিস্ট : এটি এক ধরনের ওভারিয়ান টিউমার, যাতে শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রতঙ্গের মতো টিস্যু থাকে। শুনতে অবাক লাগবে, কিন্তু এ ধরনের সিস্টে থাকতে পারে দাঁত, চুল ইত্যাদিও।


লক্ষণ : ফাংশনাল সিস্টের কোনো লক্ষণ থাকে না, এটি সাধারণত রুটিন আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ধরা পড়ে। তবে মাঝেমধ্যে পেটে ব্যথা, মাসিকের অনিয়ম নিয়েও কেউ কেউ আসতে পারে।


পরীক্ষা: পেটের আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ওভারিয়ান সিস্ট দেখা গেলে এটি আসলেই ফাংশনাল সিস্ট কি না তা অনেক সময় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে। এসব পরীক্ষার মধ্যে আছে ট্রান্স-ভেজাইনাল আলট্রাসাউন্ড, ল্যাপাচিকিৎসা: কোনো লক্ষণ না থাকলে এবং এর সাইজ ৫ সেমি’র নিচে থাকলে রোগীকে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অবজারভেশনে রাখা হয়। সাধারণত এ সময়ের মধ্যে ফাংশনাল সিস্ট অপসারিত হয়।

: ফরেন পলিসি সর্বপ্রথম সংস্কার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: মাহদী আমিনPlay Video

ফরেন পলিসি সর্বপ্রথম সংস্কার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: 

ফরেন পলিসি সর্বপ্রথম সংস্কার করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক


নারীদের জন্য একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা হলো ওভারিয়ান সিস্ট। ডিম্বাশয় বা ওভারি জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত দুটি ছোট গ্রন্থি, যা থেকে হরমোন নিঃসরণ হয় এবং ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়।  


ওভারিয়ান সিস্ট মূলত ওভারিতে পানিপূর্ণ থলের মতো গঠন। ঋতুমতী মেয়েদের মধ্যে এটি বেশ সাধারণ। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হলো ফাংশনাল বা সিম্পল সিস্ট। ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বস্ফুটন না হওয়া কিংবা ডিম্বস্ফুটনের পর ফলিকল চুপসে না গেলে এই সিস্ট তৈরি হতে পারে।  


ফাংশনাল সিস্ট ছাড়াও ওভারি বা ডিম্বাশয়ে আরও বিভিন্ন ধরনের সিস্ট হতে পারে। এসব সিস্টের প্রতিকার নির্ভর করে এর ধরন, আকার, এবং উপসর্গের ওপর। 



পলিসিস্টিক ওভারি : অনেক দিন ধরে ক্রমাগত ডিম্বস্ফুটন না হলে ওভারিতে ফলিকলগুলো জমতে থাকে। এর সংখ্যা ১০ বা এর অধিক হলে পলিসিস্টিক ওভারি বলা হয়।


এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট : এই সিস্ট থাকলে মাসিকের সময় অনেক পেইন হয় এবং রোগী বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগে থাকে।



ডারময়েড সিস্ট : এটি এক ধরনের ওভারিয়ান টিউমার, যাতে শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রতঙ্গের মতো টিস্যু থাকে। শুনতে অবাক লাগবে, কিন্তু এ ধরনের সিস্টে থাকতে পারে দাঁত, চুল ইত্যাদিও।


লক্ষণ : ফাংশনাল সিস্টের কোনো লক্ষণ থাকে না, এটি সাধারণত রুটিন আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ধরা পড়ে। তবে মাঝেমধ্যে পেটে ব্যথা, মাসিকের অনিয়ম নিয়েও কেউ কেউ আসতে পারে।


পরীক্ষা: পেটের আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ওভারিয়ান সিস্ট দেখা গেলে এটি আসলেই ফাংশনাল সিস্ট কি না তা অনেক সময় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে। এসব পরীক্ষার মধ্যে আছে ট্রান্স-ভেজাইনাল আলট্রাসাউন্ড, ল্যাপারস্কপি ও বায়োপসি এবং ক্যানসার অ্যান্টিজেন টেস্ট।


চিকিৎসা: কোনো লক্ষণ না থাকলে এবং এর সাইজ ৫ সেমি’র নিচে থাকলে রোগীকে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অবজারভেশনে রাখা হয়। সাধারণত এ সময়ের মধ্যে ফাংশনাল সিস্ট অপসারিত হয়।


সিস্ট প্রতিকারের উপায়

ইস্ট্রজেন নিয়ন্ত্রণ : ওভারিতে সিস্ট হওয়ার অন্যতম কারণ ইস্ট্রজেন হরমোনের সাম্য নষ্ট হওয়া। ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বেড়ে গেলে ওভিউলেশন অনিয়মিত হয়। যার ফলে ওভারিতে সিস্ট তৈরি হয়। তাই সিস্ট রুখতে শরীরে ইস্ট্রজেন ব্যালান্সের দিকে খেয়াল রাখুন। সয়া প্রোটিন, প্রসেসড মিট শরীরে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়ায়। প্লাস্টিকের বোতল থেকে জল খেলেও শরীরে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই ডায়েটে যতটা সম্ভব অরগ্যানিক মিট ও ডেয়ারি প্রহার্বাল উপায় : বেশ কিছু হার্বাল জিনিস এন্ডোক্রিন সিস্টেম সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। হরমোনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখা, ওভিউলেশন নিয়মিত করতে ও জননতন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এ সব প্রাকৃতিক মূল। ড্যান্ডেলিয়ন, মিল্ক থিসল ইস্ট্রজেনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে।


ডায়েট : চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর ডায়েট ও অনিয়মিত লাইফস্টাইল ওভারিয়ান সিস্টের অন্যতম কারণ। ডায়েটে ফল, সবুজ শাক-সবজি, গোটা শস্যের পরিমাণ বেশি থাকলে সিস্টের মোকাবিলা করা সহজ হওজন নিয়ন্ত্রণ : অতিরিক্ত ওজন ও বিএমআই বেশি হওয়ার কারণেও ওভারিয়ান সিস্টে আক্রান্ত হচ্ছেন মহিলারা। মেদ ঝরিয়ে বিএমআফ ২৫-এর নিচে নিয়ে আসতে পারলে ওভারিয়ান সিস্টের সমস্যা অনেকটাই কাটানো যেতে পারে।বেডাক্ট রাখুন। এতে ইস্ট্রজেনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকবে।রস্কপি ও বায়োপসি এবং ক্যানসার অ্যান্টিজেন টেস্ট।র।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

নখ কাটার মেশিনে এই ফুটোটা কেন থাকে—জানলে অবাক হবেন!

বড় ভূ'মিক'ম্পের আশঙ্কা, সতর্ক থাকার পরামর্শ আবহাওয়া অধিদপ্তরের

কানে চুল গজানো কিসের ইঙ্গিত?