ডিটওয়াহর ভয়ংকর তাণ্ডব! বাংলাদেশেও সতর্কতা জারি
ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’-এর তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১২৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, আর নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৩০ জন। একই সঙ্গে শ্রীলঙ্কা উপকূল ও দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত এ ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমেই উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে এগোচ্ছে।এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব ইতোমধ্যেই বাংলাদেশেও দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা—দেশের চারটি প্রধান সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হআবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সকাল ৬টার অবস্থান অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮৮০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১৮৩০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১৭৫০ কিলোমিটার এবং পায়রা থেকে ১৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ স্থায়ী গতি ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে না যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নৌযানগুলোকে উপকূলের নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।য়।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment